শিশুর তেল মালিশ কেন করবেন?
0

শিশুকে তেল মালিশ সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। এটি রক্ত সঞ্চালন, ওজন বৃদ্ধি, হজম প্রক্রিয়া জন্য খুব কার্যকর। এটি আপনার শিশুর সাথে বন্ধন বিকশিত করতে আপনাকে সহায়তা করে।

তেল মালিশের উপকারীতাঃ
→তেল মালিশ শিশুকে সুরক্ষিত অনুভব করায়। তাই তেল মালিশে শিশুর কান্না কমে এবং শরীর গরম রাখে।
→মালিশ শরীরের রক্ত চলাচল সহজ করে।
→মালিশ কলিক শিশুর জন্য অনেক উপকারী। এটা হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে। পেট ব্যাথা এবং গ্যাস কমায়।
→শিশুর মনকে রিলাক্স করতে মালিশ কার্যকর।
→সুন্দর ঘুমের জন্য তেল মালিশ খুব কাজে দেয়।
→প্রি ম্যাচিয়ুর শিশুর ওজন বাড়ানো, হার্টের গতি সহ অনেক কাজে তেল মালিশ প্রয়োজন।
→মা এবং শিশুর মধ্যে বন্ধন তৈরি করতে সাহায্য করে।
→তেল মালিশে মা শিশু দুইজনই আনন্দ অনুভব করে।

শিশুর জন্য কোন তেল সবচেয়ে বেস্ট?
গরমের সময়ঃ
নারকেল তেলঃ
গরমের দিনে নারকেল তেল শিশুকে ঠান্ডা অনুভুতি দেয়। এটা শরীরে খুব তাড়াতাড়ি মিশে যায়। এতে এন্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে। তবে চেস্টা করবেন শিশুর জন্য অর্গানিক নারকেল তেল ব্যবহার করতে।

তিলের তেল/ sesame oilঃ
তিলের তেল শিশুর হাড়ের গঠন মজবুজ করে। শিশুর শরীরকে আরামদায়ক করে তুলে।

শীতের সময়ঃ
সরিষার তেলঃ
শীতে সরিষার তেল সত্যি অতুলনীয়। এটা শিশুর ঠান্ডা কাশি কমাতে সাহায্য করে। অনেক বছর থেকেই দাদি নানিরা এই তেল গরুর ঘানিতে ভাংগিয়ে ব্যবহার করে আসছেন। তবে শিশুর এলার্জি সমস্যা থাকলে এই তেল ব্যবহার না করাই উত্তম।

অলিভ অয়েল ঃ
বর্তমানে মায়েদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে অলিভ অয়েল। তবে এটাও শিশুর সেনসেটিভ স্কিন হলে ব্যবহার না করাই ভালো।

কাঠবাদাম তেল/Almond oilঃ
কাঠবাদাম তেলে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ই। এই তেল শীত গরম যেকোনো সিজনেই ব্যবহার করা যাবে। এটা শিশুর শরীরকে নরম এবং কোমল করে তুলে। তবে অবশ্যই সম্পুর্ন খাটি এবং অর্গানিক কাঠবাদাম তেল ব্যবহার করতে হবে।

কিছু টিপস ঃ
→বেশিরভাগ শিশু তেল মালিশে পর ঘুমিয়ে পড়ে। তাই মালিশ তার বেড টাইমের আগে করতে পাড়েন।
→তেল মালিশের জন্য নির্দিস্ট রুটিন করে নিতে পাড়েন।
→তেল মালিশ তখনই করুন যখন শিশু পছন্দ করে।
→মালিশে করুন আলতো হাতে। মৃদু চাপ প্রয়োগে মালিশ করুন।
→তেলটা অবশ্যই বেশি ঠান্ডা কিংবা বেশি গরম ব্যবহার করবেন না।
→অর্গানিক খাটি তেল ব্যবহার করুন।
→সঠিক নিয়ম অনুযায়ী মালিশ করুন।
→মালিশের পুর্বে অবশ্যই হাত ভালো ভাবে পরিস্কার করে নিবেন।
→তেল মালিশে পরিবেশ খুব গুরুত্বপূর্ণ। আরামদায়ক পরিবেশে মালিশ করার ফলে শিশুর শরীর সম্পুর্ন রিলাক্স হয়ে উঠবে। তাই সুন্দর পরিবেশের জন্য –
• দরজা জানালা বন্ধ করে নিন। এবং ফোন সাইলেন্ট মুডে রাখুন।
• শিশুকে আরামদায়ক ম্যাটে শুইয়ে দিন।
• প্রয়োজনে রিলাক্সিং মিউজিক চালিয়ে দিন।
• দরকারি সকল জিনিস হাতের কাছেই রাখুন।
• শিশুর সাথে কথা বলুন কিংবা তাকে গুনগুন করে গান শুনান।
শিশুর জন্য খাটি অর্গানিক তেল এখন shadleens এ পেয়ে যাবেন। তাই ভিজিট করুন
www.shadleens.com

Leave a Comment

Your email address will not be published.

TOP

X