Homemade Stage 1 cerelac

Homemade Stage 1 cerelac

500g
Tk 365.00
Skip to product information
Homemade Stage 1 cerelac

Homemade Stage 1 cerelac

Tk 365.00
weight500g


  1. Homemade Stage 1 cerelac


Homemade Stage 1 cerelac Stage 1 cerelac (From 7 month - 9 month) উপাদান : লাল চাল, নাজিরশাইল চাল, চিনিগুড়া চাল, গম, সাবুদানা, ভূট্টা, খেজুর এবং কিসমিস। উপকারিতাঃ ★লাল চালে থাকা ফাইবার শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং হজমশক্তি বৃদ্ধি করে গ্যাস কমাতে সাহায্য করে। এটি ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ যা শিশুর হাড়কে শক্ত এবং স্বাস্থ্যকর রাখতে সহায়ক করে। এর কার্বোহাইড্রেটস এবং প্রোটিন শিশুর শক্তি ও এনার্জি বৃদ্ধি করে। ★গম শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য, বিরক্তিকর গ্যাস প্রতিরোধ করে। এতে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন যা শিশুর মাংসের বিকল্প। গমের ভিটামিন ই ও ম্যাগনেসিয়াম হাঁপানি বা শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের থেকে রক্ষা করে। অ্যানিমিয়ার বিরুদ্ধে সুরক্ষা পেতে গম শিশুর গুরুত্বপূর্ণ খাবার। ★ভূট্টা তে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা শরীরকে সুস্থ রাখে। ভিটামিন এ, সি ও লাইকোপিন বর্ষাকালিন রোগ থেকে মুক্ত রাখে। এর ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং হজমে সহায়তা করে। রক্ত সল্পতা দূর করা, এনার্জি বৃদ্ধি এবং শিশুর দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে এটা খুবই উপকারী। ★ সাবুদানা প্রোটিনের এক উৎস, ভিটামিন কে এবং ক্যালসিয়াম ও লোহার মতো খনিজ পুষ্টি শিশুড় বেড়ে ওঠার জন্য অত্যন্ত জরুরী আর প্রোটিন পেশীগুলির বৃদ্ধি, পুষ্টি ও ক্ষতি মেরামতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং বাকি খাদ্যগুণগুলি হাড়ের স্বাস্থ্য এবং নমনীয়তা বজায় রাখে। এটি শিশুর ওজন বৃদ্ধি করে। সাবুদানা সুনিশ্চিত ভাবে আপনার শিশুর প্রথম খাদ্য। ★খেজুর খুবই পুষ্টিকর একটি ফল। খেজুরকে প্রাকৃতিক শক্তির উৎস বলা হয়। ভিটামিন, আঁশ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও জিঙ্ক সমৃদ্ধ খেজুর একজন সুস্থ মানুষের শরীরে আয়রনের চাহিদার প্রায় ১১ ভাগই পূরণ করে। পুষ্টিবিদদের মতে, শরীরের প্রয়োজনীয় আয়রনের অনেকটাই এই খেজুর থেকে মেলে। খেজুরের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা রাখে। এতে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম রয়েছে। আঁশের জোগানও যথেষ্ট। তাই এ ফল ডায়েটে রাখতে পারলে শরীরের প্রয়োজনীয় উপাদান সহজেই মেলে। ★কিসমিস এই বাদামী রঙের ফলটি টনিক, খাবার এবং শক্তির জন্য অপরিহার্য। হার্টের জন্য এটি খুব উপকারি। কিসমিস ভিটামিন এ, এ-বিটা ক্যারোটিন এবং ক্যারোটিনয়েড রয়েছে, যা চোখের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত অপরিহার্য। এটি ওজন বাড়াতে সহায়তা করে পাশাপাশি দেহে এনার্জি বৃদ্ধি করে। এটি শিশুর শরীরে নতুন রক্ত গঠন করে এবং দেহের ভিটামিন বি অভাব পূরণ করে। কিসমিসে উপস্থিত ফাইবার শিশুর হজমশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

You may also like