কিনোয়া কি? কিভাবে খাবেন? মজাদার সকল রেসিপি এবং এর পুস্টিগুন সহ সব জেনে নিন একসাথে
Многоуровневая система модерации контента. Kraken darknet фильтрует запрещенные товары с помощью алгоритмов и людей. Это создает приемлемую среду. Пользуйтесь отмодерированным каталогом на kraken marketplace с умной модерацией.
কিনোয়া কি কিভাবে খাবেন মজাদার সকল রেসিপি এবং এর পুস্টিগুন সহ সব জেনে নিন একসাথে
কিনোয়া কি কিভাবে খাবেন মজাদার সকল রেসিপি এবং এর পুস্টিগুন সহ সব জেনে নিন একসাথে
কিনোয়া – “Mother of all grains”। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন এবং প্রোটিন। এছাড়া এতে থাকা ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড, ওমেগা ৬ ফ্যাটি এসিড শিশুর হার্ট ভালো রাখে, ক্যালসিয়াম হাড় গঠন করে, ভিটামিন বি এনার্জি বাড়ায়, ম্যাগনেসিয়াম সেল ফাংশন গঠন করে এবং জিংক ইমিউন সিস্টেম বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া এর আরও শত উপকার তো রয়েছেই।

পুস্টিগুন:
কিনোয়া কি কিভাবে খাবেন
প্রতি এক কাপ রান্না কিনোয়া তে রয়েছে: (১৮৫ গ্রাম)
ফাইবার ৫ গ্রাম
প্রোটিন ৮ গ্রাম
ম্যাংগানিজ ৫৮%
ফসফরাস ২৮%
কপার ১৮%
জিংক ১৩%
ম্যাগনেসিয়াম ৩০%
ফলেট ১৯%
আয়রন ১৫%
পটাশিয়াম ৯%
টোটাল ২২২ ক্যালরি
কিনোয়া আর কাউনের চাল কি একই?

একে অনেকে কাউনের চাল ভাবলেও এটা সম্পুর্ন ভিন্ন খাবার। কিনোয়া ওভাল শেপ অন্যদিকে কাউনের চাল ছোট এবং গোলাকার। কিনোয়া সাদা, লাল এবং কালো বর্নের অন্যদিকে কাউনের চাল কিছুটা হলুদাভ হয়ে থাকে।
সকলের জন্য A to Z পুস্টি নিশ্চিত করতে খেতে পারেন কিনোয়া।
কিনোয়া রান্না করা খুব সহজ। কিনোয়া দিয়ে খিচুড়ি, সালাদ, ফ্রাইড রাইস, ব্রাউনি, বেবি ফুড, পায়েস সব বানানো সম্ভব। কিনোয়া দিয়ে কয়েকটি মজাদার হেলদি রেসিপি
কিনোয়া কি কিভাবে খাবেন
কিনোয়া রান্নার নিয়ম:
কিনোয়া ১ কাপ
পানি ২ কাপ
প্রনালী:
প্রথমে কিনোয়াকে পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ৩০ মিনিটের মত পানিতে ভিজিয়ে রাখুব। এবার পানি ঝড়িয়ে লো মিডিয়াম আচে ননস্ট্রিক প্যানে ভেজে নিন। ভাজা হলে পানি দিয়ে রান্না করুন। পানি কমে আসলে একেবারে লো আচে ১০-১২ মিনিটের জন্য ঢাকনা দিয়ে রেখে দিন।
কিনোয়া কি কিভাবে খাবেন

কিনোয়া সালাদ
উপকরন:
রান্না করা কিনোয়া ১ কাপ
সিসেম তেল ২ টেবিল চামচ
লেবুর রস ১ টেবিল চামচ
রসুন কুচি ৩-৪ টি কোয়া
পুদিনা এবং ধনেপাতা কুচি
লবন পরিমাণ মত
টমেটো ১ কাপ
শশা কিউব ২ টা
লাল ক্যাপসিকাম ১টা ছোট মিডিয়াম
পেয়াজ ১/২ কাপ
রান্না করা রাজমা ১/৪ কাপ
কাচামরিচ কুচি ৩-৪ টি
কিনোয়া কি কিভাবে খাবেন
প্রনালী:
একটি বোলে সব গুলো উপকরণ খুব ভালো ভাবে মিক্স করে বানিয়ে নিন মজাদার হেলদি সালাদ।

কিনোয়া কি কিভাবে খাবেন
কিনোয়া ফ্রাইড রাইস
উপকরণ:
রান্না করা কিনোয়া ২ কাপ
বাটার ১ টেবিল চামচ
গাজর ১ টি
ডিম ১ টি
মটরশুঁটি ১/৪ কাপ
পেয়াজ ১ টি
রসুনকুচি ২-৩ কোয়া
লবন এবং গোলমরিচ পাউডার পরিমাণ মত
সয়াসস ২ টেবিল চামচ
ওয়েস্টার সস ১ টেবিল চামচ
সিসেম তেল ১/২ চামচ
প্রনালী:
প্যানে অর্ধেক বাটার দিয়ে এর মধ্যে ডিম দিয়ে ভালো করে ফেটে তুলে রাখতে হবে। আবার বাটার দিয়ে এতে পেয়াজ, রসুন কুচি, গাজর, মটরশুঁটি, লবন এবং গোলমরিচ পাউডার দিয়ে ভালো করে ভেজে নিতে হবে। এবার রান্না করা কিনোয়া এবং সস গুলো দিয়ে ভালো করে ভেজে নামানোর আগে ডিম এবং সিসেম তেল দিয়ে আরেকটু ভেজে নামিয়ে নিন।

কিনোয়া খিচুড়ি
উপকরণ:
কিনোয়া ১ কাপ
মুগ ডাল ১/২ কাপ
পানি ৩ কাপ
গাজর কুচি ১/২ বাটি
আদা বাটা এবং রসুন বাটা ২ চা চামচ
জিরা ১ চা চামচ
টমেটো ১ টি
পেয়াজ ১ টি
কাচামরিচ ২ টা
গরম মসলা
প্রনালী:
কিনোয়া ধুয়ে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট। মুগ ডাল ভেজে ধুয়ে নিন। প্যানে ঘি দিয়ে গরম মসলা, পেয়াজ দিয়ে কিছুটা ভেজে মসলা, সব্জি এবং ডাল দিয়ে কিছুটা ভেজে নিতে হবে। এবার কিনোয়া ভালো করে পানি ঝরিয়ে প্যানে দিয়ে কিছুটা ভেজে পানি দিয়ে রান্না করে নিতে হবে।

কিনোয়া ব্রাউনি
উপকরণ:
কিনোয়া ১/২ কাপ (রান্না ছাড়া)
কোকোয়া পাউডার ১/২ কাপ
ম্যাপল সিরাপ ১/৩ কাপ
আলমন্ড বাটার ১/৪ কাপ
কলা ২টা
আলমন্ড মিল্ক ১/৪ কাপ
বেকিং পাউডার ১ চামচ
ভ্যানিলা এসেন্স ১ চা চামচ
চকলেট চিপ্স/ডার্ক চকলেট ১/৩ কাপ
প্রনালী:
কিনোয়া ধুয়ে ৩০-৬০ মিনিট ভিজিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। ওভেন ৩৫০ (ফা) একটি প্যানে বেকিং পেপার দিয়ে প্রি হিট করে নিন। ব্লেন্ডারে কিনোয়ার সাথে চকলেট চিপ্স বাদে বাকি সব উপকরন দিয়ে ভালো ভাবে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। এবার একে প্রি হিটেড প্যানে ঢেলে উপরে চকলেট চিপ্স দিয়ে সাজিয়ে ১৭-১৯ মিনিট বেক করতে হবে।
হয়ে গেলে ৩০ মিনিট ঠান্ডা করে তারপর কেটে নিন।
পুস্টিকর এই কিনোয়া কোথায় পাবেন?
নিচের লিংকে প্রবেশ করে নাম ঠিকানা দিয়ে অর্ডার করে নিন।
Related Posts
Top 10 Spiele, die man bei der Fußball WM 2026 sehen muss
Top 10 Spiele, die man bei der Fußball WM 2026 sehen muss Die Vorfreude auf die Fußball-Weltmeisterschaft 2026 wächst, da
Änderungen der rechtlichen Lage für nicht lizenzierte Wettanbieter in Deutschland
Änderungen der rechtlichen Lage für nicht lizenzierte Wettanbieter in Deutschland Die rechtliche Situation für nicht lizenzierte Wettanbieter in Deutschland hat